+8801883000860

যশোরে গুড়–পাটালির ঐতিহ্য রক্ষায় তিন দাবি

যশোরে গুড়–পাটালির ঐতিহ্য রক্ষায় তিন দাবি


মেলা প্রাঙ্গণে রস থেকে গুড়-পাটালি তৈরির প্রক্রিয়া দেখানো হয়। দিনব্যাপী মেলায় আগন্তুকদের কেউই নলেন গুড়ের স্বাদ নিতে ভোলেননি। ‘আবারও আমাদের জীবন নলেন গুড়ের সৌরভে, স্বাদে ভরে উঠুক’—এমনটাই প্রত্যাশা ছিল এবারের মেলায়। মেলার ১৮টি স্টলে খেজুর রস, গুড়, পাটালি, গুড়ের পিঠা-পায়েস মিষ্টান্নের প্রদর্শনী ও বিক্রি করা হয়। এ ছাড়া শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও বাউলগানের মাধ্যমে যশোরের লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়।

আয়োজক কমিটির সদস্য মামুনুর রশীদ বলেন, ২০১২ সাল পর্যন্ত যশোরের বাজারে খেজুরের রসের খাঁটি পাটালি গুড় পাওয়া গেছে। এরপর থেকেই যশোরের ঐতিহ্য পাটালি গুড় তৈরিতে ভেজাল শুরু হয়। যে কারণে ঐতিহ্যটি এখন নষ্ট হতে বসেছে। তাই যশোরের এই ঐতিহ্য রক্ষায় চারুশিল্পের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান চারুপীঠ আর্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট ২০১৫ সাল থেকে যশোরে খেজুর গুড় শিল্পমেলার আয়োজন শুরু করে।

মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খান। যশোরের জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ, কৃষিবিজ্ঞানী সিরাজুল ইসলাম, স্থপতি কাজী আলিফ উদ্দিন ইকবাল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আঞ্চলিক প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুনীল কুমার রায় ও ইছালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মতলেব বিশ্বাস। স্বাগত বক্তব্য দেন চারুপীঠের অধ্যক্ষ মাহবুব জামাল শামীম।